জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ জুন ২০১৭

সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারি, আধাসরকারী ও স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নভেম্বর ১৯৮০ সালে এই একাডেমি “Development of the Planning Machinery in Bangladesh (Creation of Institutional facilities for training in Planning and Development)”  শিরনামে প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৮৪ সালে একাডেমি ৩/এ, নীলক্ষেত, ঢাকায় অবস্থিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তরিত হয় এবং সরকারের রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ০৬ জানুয়ারী, ১৯৮৫ তারিখের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির বোর্ড অব গভর্নরসকে বডি কার্পোরেটে রুপান্তর করা হয়। তখন থেকে একাডেমি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তাদের 21 শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম করতে ব্যাপক প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে। গত ০৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮৫ তারিখে ‘সরকারি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ -১৯৬১’ এর আওতায় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমিকে একটি ইন্সটিটিউট হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এটির ক্ষেত্রে উক্ত অধ্যাদেশ কার্যকরের আদেশ জারী করা হয়।

 

গত ১২ জুন, ২০০৭ তারিখে অনুষ্ঠিত ’র্বোড অব গভর্নরস’-এর এক সভায় একাডেমির নাম ’’পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি’’ এর পরিবর্তে ‘‘জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি’’ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ৩০ আগস্ট, ২০০৯ তারিখে একাডেমির নতুন নামকরণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত হয়। গত ৩ মার্চ, ২০১০ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একাডেমির ‘‘রজত জয়ন্তী’’ পালিত হয়।

 

সময়ের প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়ন করা একটি চলমান প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিশ্বে বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়নের ফলে প্রভূত পরিবর্তন ঘটেছে। একাডেমি এই পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিস্থিতির চাহিদা মেটাতে এর প্রশিক্ষণ পাঠক্রম ও প্রক্রিয়ার পরিবর্তন সাধন করছে। সম্প্রতি এনএপিডি মানুষের সাথে কর্মসম্পাদন বা নেতৃত্ব প্রদান, ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, সরকারী কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিবর্গের কর্মক্ষেত্রের উৎর্ষতা আনয়ন সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা, নেতৃত্ব ও কর্মপ্রশাসন ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষনের উপর গুরুত্বারোপ করছে। সমৃদ্ধ অনুষদের পাশাপাশি সুবিধাজনক অবস্থানের জন্য প্রয়োজনে এনএপিডি প্রতিষ্ঠিত দক্ষ ব্যক্তিবর্গকে প্রশিক্ষক হিসাবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে।   

 

আশা করা হচ্ছে যে এনএপিডি কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষন সুবিধা ভবিষ্যতে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের উচ্চ চাহিদা ধরে রাখতে সক্ষম হবে। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে সর্বমোট আশি (৮০) টি প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যমে পঁচিশশত ছিয়াত্তর (২৫৭৬) জন প্রশিক্ষনার্থী প্রশিক্ষন সম্পন্ন করেছে।

 

এনএপিডি বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নে দক্ষ জনশক্তি তৈরীর লক্ষে নিরলস কাজ করে চলেছে। ইতিমধ্যে একাডেমি সর্বোত্তম গুনসম্পন্ন প্রশিক্ষন প্রতিষ্ঠান হিসাবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। যথোপযুক্ত কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে সম্মুখ পানে এগিয়ে যেতে আসন্ন বন্ধুর পথ মোকাবিলা করার জন্য একাডেমি কঠোর পরিশ্রম করছে। আমাদের ভবিষ্যত ভিশন, মিশন ও কর্মপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভোক্তা ও প্রতিষ্ঠানের সফলতার প্রয়োজনে আপনাদের স্বতস্ফুর্ত উপদেশ, অংশগ্রহন ও সহযোগীতা আন্তরিককভাবে ও সাদরে অভ্যর্থিত।


Share with :
Facebook Facebook